
আন্তর্জাতিক
ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সব ধরণের সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণে
তিন দিনের সামরিক মহড়া শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) 'ক্যারিবিয়ান
২০০' নামের এই মহড়া শুরু হয়।
দেশটির
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ বলেছেন, 'প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর
নির্দেশে, আমি সার্বভৌম ক্যারিবিয়ান মহড়া শুরু করার নির্দেশ দিচ্ছি। এটি আমাদের প্রতিরক্ষা
ক্ষমতা জোরদার করবে।'
তিনি
জানান, তিন দিনের এই মহড়ায় ভেনেজুয়েলার সকল ধরণের সশস্ত্র বাহিনী অংশগ্রহণ করবে
- মহাকাশ, বিশেষ, পুনর্গঠন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, নৌ, বিমান, স্থল ও মহাকাশ প্রতিরক্ষা
বাহিনী।
ক্যারিবীয়
অঞ্চলে সম্প্রতি মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনের মধ্যে এই মহড়া পরিচালিত হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট
মাদুরোর মতে, ভেনেজুয়েলা গত ১০০ বছরে দেখা সবচেয়ে বড় মার্কিন আগ্রাসনের হুমকির মুখোমুখি।
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারকারী চক্র
পরিচালনা এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার যোগাযোগের অভিযোগ এনেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট এর
পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
১৯
আগস্ট পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, মাদক চোরাকারবারীদের হুমকি
মোকাবেলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার কাছে তিনটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী
জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে।
আরেক
প্রতিবেদনে ইউএসএস নিউপোর্ট নিউজ জানিয়েছে, সাবমেরিন, ইউএসএস লেক এরি মিসাইল ক্রুজার,
অবতরণকারী জাহাজ এবং ৪ হাজার ৫০০ সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে।
নিউ
ইয়র্ক টাইমস বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে কিছু ল্যাটিন আমেরিকার
মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে পেন্টাগনকে সামরিক শক্তি ব্যবহার শুরু করার নির্দেশে
সই করেছেন।
তবে
কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভেনেজুয়েলার নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক
হুমকির মাধ্যমে তার দেশের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন চাইছে।